অন্যান্য

স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটের জীবনকাহিনী (পর্ব-২)

স্ন্যাপড্রাগনের জীবন কাহিনীর ২য় পর্বে আপনাকে স্বাগতম!

এর আগের পর্বে আপনাদের সাথে কোয়ালকমের ২০০ সিরিজের চিপসেট নিয়ে আলোচনা করেছি। আজ আমরা আলোচনা করবো স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ সিরিজ নিয়ে।

স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ সিরিজ: “স্ন্যাপড্রাগন”, কোনো ফোনের স্পেক লিস্টে জাস্ট এই ওয়ার্ডটি দেখে অনেকে বলে দেয় ফোনটি অনেক ভালো পারফর্ম করবে। কিন্তু, সব ক্ষার যেমন ক্ষারক নয়; তেমনি সব স্ন্যাপড্রাগন চিপসেটই সেরা নয়। কোয়ালকমের স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ সিরিজের চিপসেটগুলো সাধারণত লোয়ার মিড-রেঞ্জ ফোন এবং কিছু সংখ্যক মিড-রেঞ্জ ফোনে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ৪০০ সিরিজে মোট ১১টি চিপসেট রয়েছে, এগুলো হলো: স্ন্যাপড্রাগন ৪০০, ৪১০, ৪১২, ৪১৫, ৪২৫, ৪২৭, ৪২৯, ৪৩০, ৪৩৫, ৪৩৯ ও ৪৫০। আর কথা না বাড়িয়ে চলুন দেখে নিই ৪০০ সিরিজের কিছু চিপসেটের স্পেকস, তারপর এই চিপসেট কোন ধরনের ইউজার ও কেমন বাজেটের ফোনের জন্যে বেস্ট হবে সেটা নিয়ে কথা বলবো।

স্ন্যাপড্রাগন ৪২৫:

  • Quad Core Cortex A53 1.4 GHz (28nM)
  • Adreno 308 GPU (Graphical Processing Unit)
  • Up to 16 MP single camera support
  • Dual-core ISP (Image Sensor Processor)
  • 1080p @ 30fps (Frames per second) video recording & playback support
  • Quick Charge (QC) 2.0 supported
  • 5 GHz Wi-Fi

স্ন্যাপড্রাগন ৪৩০:

  • Octa Core Cortex A53 1.4 GHz (28nM)
  • Adreno 505 GPU
  • Upto 21 MP single camera support
  • Dual Core ISP
  • 1080p @ 30fps, 720p & 60fps video recording & playback support
  • QC 3.0 supported

স্ন্যাপড্রাগন ৪৩৯:

  • Octa Core Cortex A53 1.95 GHz (12nM)
  • Adreno 595 GPU
  • Up to 8 MP Dual camera & up to 21 MP single camera support
  • Dual-core ISP
  • 1080p @ 30fps video recording & playback support
  • QC 3.0 supported

স্ন্যাপড্রাগন ৪৫০:

  • Octa-Core Cortex A53 1.8 GHz (14nM)
  • Adreno 506 GPU
  • Upto 13 MP Dual camera & up to 21 MP single camera support
  • Dual core ISP with Real-time bokeh effect during camera preview
  • 1080p @ 60 fps video recording & playback support
  • QC 3.0 supported

এছাড়া এই সবগুলো চিপসেট LPDDR3 Ram ও 4G সুবিধা আছে।

প্রথমত পারফরমেন্স নিয়ে বলতে গেলে, স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ সিরিজের চিপসেটের ফোন আপনার প্রতিদিনের কাজকর্ম, মিডিয়াম গেমিং, টুকটাক হেভি ইউজ ও মাল্টি টাস্কিং সহজেই সামলাতে পারবে। লংটাইম ইউজ করলে হালকা ল্যাগের দেখা পেতে পারেন। তবে এসব ফোনের উপরে বেশি প্রেসার দিলে আপনার ফোনটি কিছু সময়ের জন্যে হ্যাং হয়ে যেতে পারে। তাই নরমাল, মিডিয়াম ইউজাররা এই চিপসেটের ফোন নিয়ে নিশ্চিন্তেই থাকতে পারবেন। গেমার ও হেভি ইউজারদের বলতে চাই স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ সিরিজের চিপসেট আপনাদের জন্যে নয়; কারণ এটা আপনাদের চাওয়া-পাওয়া পূরণে সক্ষম নয়।

৩০০০ মিলিয়াম্পিয়ারের ব্যাটারি ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ সিরিজ চিপসেটের ফোন অতি সহজেই ১ দিন বা তার থেকেও বেশি ব্যাটারি ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। স্ন্যাপড্রাগন ৪০০ সিরিজের ফোনের দাম সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকার মধ্যে থাকলে কেনার জন্যে রেকমেন্ড করা যায় (২/১ টি চাইনিজ ব্র্যান্ড ১৫ হাজার টাকার মধ্যেই স্ন্যাপড্রাগন ৬০০ সিরিজের চিপসেটের ফোন অফার করে, কিন্তু অনেকেই সেসব ব্র্যান্ডের ফোন কিনতে চায় না বলে ৪০০ সিরিজের জন্যে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা বললাম)।

আর্টিকেলটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন। এছাড়াও জয়েন করতে পারেন আমাদের ফেসবুক গ্রুপ, পেজ এবং ইন্সটাগ্রামে। আর অবশ্যই আমাদের চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করতে ভুলবেন না।

Avatar

Russell Hossain